একটি ছোট্ট সুন্দর মোটিভেশনাল স্টরি বা গল্প । এই গল্পটি আপনার চিন্তা ভাবনাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে সাহায্য করবে বলে আশা করছি। দয়াকরে, পুরো গল্পটি মনযোগ দিয়ে পড়ুন ।

একদিন এক ব্যক্তি দরবেশ বাবার কাছে গেলেন এবং তার সমস্ত সমস্যার কথা খোলে বললেন। তিনি বললেন, দরবেশ বাবা, আমি আমার জীবনে কখনো আনন্দিত হতে পারলাম না। প্রথমে ভেবে ছিলাম যখন চাকরি পাব তখন বাবাকে একটা সুন্দর গাড়ী কিনে দিব কিন্তু সেটা আর হলো না কারণ চাকরি পাওয়ার আগেই আমার বাবা এই পৃথবী থেকে চলে গেলেন । এরপর ভেবেছিলাম চাকরিতে যখন প্রমোশন পাব তখন বউ বাচ্চাদেরকে নিয়ে দেশের বাহিরে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যাব কিন্তু প্রমোশনটাই হলো না। এরকম কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলোর জন্য আমি সব সময় অপেক্ষা করতাম কিন্তু কখনো তা পূরন হয়নি। আমি ভেবে পাচ্ছি না যে,আমি কি করব । আমার মনে হচ্ছে, আমি জীবনে কখনো আনন্দিত হতে পারব না।

লোকটির কথা শোনে দরবেশ বাবা উক্ত ব্যক্তিকে একটি ফুলের বাগানে নিয়ে গেলেন। যেখানে অনেকগুলো গোলাপ ফুল সহ নানা ধরনের গাছ লাগানো আছে এবং অনেক সুন্দর সুন্দর ফুল ফুঠে আছে । দরবেশ বাবা ওই ব্যক্তিকে বললেন, তুমি এই ফুলের লাইন দিয়ে দেখতে দেখতে যাও এবং সব থেকে সুন্দর সুন্দর ফুলগুলো তুলে আমার কাছে নিয়ে আসো । কিন্তু হ্যাঁ, একটা কথা মনে রাখবে, একবার যে ফুল দেখে তুমি এগিয়ে চলে যাবে সেখান থেকে আর ফিরে আসা যাবেনা এবং কোন ফুল সংগ্রহ করা যাবে না। কিন্তু, তোমাকে ফুল আনতেই হবে। তখন ঐ ব্যক্তিটি হাঁটা শুরু করলেন এবং দেখতে থাকলেন, সেখানে অনেক সুন্দর সুন্দর ফুল । লোক বুঝে উঠতে পারছিল না কোনটা রেখে কোনটা নিবে ।

 

আরও পড়ুনঃ ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তাদের সাধারন কিছু ভূল

 

সে অনেকগুলো বড় বড় ফুল দেখলো, আরও কিছু ছোট ফুলও দেখতে পেলো।কিন্তু কোন ফুলটা সবচেয়ে বেশি সুন্দর সে তো ভেবে পাচ্ছিল না। সবগুলো ফুলই দেখতে খুব সুন্দর। একটা সুন্দর ফুল ধরতে গেলে তার সামনে আরও একটা সুন্দর ফুল সে দেখতে পায়। সে মনে মনে ভাবল সামনে গেলে হয়তো আরো সুন্দর ফুল পাওয়া যাবে। তখন ফুল নিয়ে নিব। এভাবে ভাবতে ভাবতে সে একসময় ফুলের বাগানের শেষ প্রান্তে চলে এলো এবং দেখল সেখানে শুধুমাত্র কিছু শুকিয়ে যাওয়া ফুল ছাড়া আর ভালো কোন ফুল নেই। এখন তার আর কিছুই করার নেই । তার মধ্য থেকে যে ফুলটা একটু ভালো মনে হলো সেই ফুলটা তুলে লোকটি দরবেশ বাবার কাছে নিয়ে এলেন।

 



সে দরবেশ বাবার কাছে এসে বললেন, দরবেশ বাবা, যাবার সময় রাস্তায় অনেক বড় বড় অনেক সুন্দর ফুল দেখেছিলাম এবং আমি ভেবেছিলাম হয়তো সামনে গেলে আরো সুন্দর ফুল পাওয়া যাবে। কিন্তু শেষ প্রান্তে গিয়ে দেখলাম কিছু শুকিয়ে যাওয়া ফুল ছাড়া আর ভালো কোন ফুল নেই। তাই সেখান থেকে যেটা একটু ভালো মনে হলো সেই ফুলটাই আপনার কাছে নিয়ে আসলাম।

 

তখন দরবেশ বাবা হেসে বলল, হে বৎস,সবচেয়ে সুন্দর ফুলের আশায় তুমি সামনে এগিয়ে যেতে থাকলে আর কত সুন্দর সুন্দর ফুলের মধ্যে থেকে এই শুকিয়ে যাওয়া ফুলটি তুমি নিয়ে এলে।
এখন মনে করো, এই ফুলের বাগানটি তোমার জীবন। আর এই ফুলগুলো তোমার জীবনে আসা ছোট বড় খুশি বা আনন্দ। তুমি এই ভেবে চলতে থাকলে যে সামনে হয়তো আরো সুন্দর সুন্দর ফুল রয়েছে। তুমি আরও ভাল সুন্দর ফুলের সৌন্দর্য খুঁজতে খুঁজতে অবশেষে শেষ পর্যন্ত পৌঁছে গেলে।

ঠিক এরকমই তোমর জীবনে আসা ছোট ছোট খুশি গুলোকে ত্যাগ করেছ, তুমি বড় খুশি পাবে বলে। যখন তুমি বুঝতে পারবে তখন জীবনে আর কোন খুশি থাকবে না। হাজার চেষ্টা করলেও পিছনে ফিরে জীবনের ওই ছোট ছোট সুখগুলোকে আর কখনো ফিরে পাবে না।

 

বন্ধুরা, এই ছোট্ট একটি মোটিভেশনাল স্টরি বা গল্প দিয়ে সবাইকে মনে করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলাম যে, জীবনে আসা ছোট ছোট সুখগুলোকে এড়িয়ে না গিয়ে সেগুলোকে উপভোগ করতে শিখুন। কালকের জন্য না ভেবে আজকের জন্য হাসি খুশিভাবে সময় কাটান। সব সময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন।

Read More

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কি এবং এর ইতিহাস ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট:

প্রথমে আমাদেরকে জানতে হবে, নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ৫ বা ১০ বছরের পুরনো ইন্ডাস্ট্রি নয়। এটি প্রায় শত বছেরের পুরানো ইন্ডাস্ট্রি ।

 

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং(এমএলএম) এর বাংলা পরিভাষা হচ্ছে বহুমুখী পণ্য বিপণন পদ্ধতি। এটি মূলত মধ্যস্বত্ত্বভুগীদেরকে (যেমনঃ এজেন্ট-পাইকারী বিক্রেতা-খুচরা বিক্রেতা) বাদ রেখে সরাসরি কাস্টমারের কাছে পণ্য বিক্রয় করে এবং কোন ক্রেতা যদি তার নিকটাত্বীয় বা বন্ধুদের কাছে বিক্রয় সহযোগীতা করেন তাহলে এর লাভের একটা অংশ পুনরায় কমিশন আকারে ফেরত দেওয়েই হচ্ছে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং(এমএলএম) এর মূল ব্যবসা । আর এই পুরো সিস্টেমটাকেই নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং(এমএলএম) বলা হয় ।

 

ব্যবসাটি দলগতভাবে করা হয় বিধায় একে অপরের সহযোগিতায় কাজটি অনেক সহজ হয় এবং পন্য বিক্রয় হয় দ্রুত গতিতে । এটি মূলত ১ জন থেকে ২জন, ২ জন থেকে ৪ জন, আবার ৪ জন থেকে ৮ জন, এভাবেই এর পরিধি বাড়তে থাকে । একসময় এটি বিশাল জনগোষ্টিতে পরিনত হয় ।

 

এই পদ্ধতিটি ১৯২০ সালে আমেরিকার একজন ফেরিওয়ালা প্রথম আবিষ্কার করেন, যার নাম হেনরি হেইনজ । পরবর্তীতে, ড. কার্ল রেইনবর্গ আধুনিক এমএলএম-এর জন্ম প্রবর্তন করেন ১৯৩০ সালের দিকে। ১৯৩৪ সালে দিকে তিনি কেলিফোর্নিয়া ভিটামিন কর্পোরেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন এবং মাল্টিভিটামিন বা ফুড সাপ্লিমেন্ট বিক্রয় শুরু করেন। ১৯৩৯ সালে কোম্পানিটির তার নাম পরিবর্তন করে নিউট্রিলাইট প্রডাক্টস ইনকর্পোরেশন নামকরণ করেন। বর্তমানে কোম্পানিটি এভন প্রডাক্টস ইনকরপোরেশন নামে পরিচিত।

 

তারপর ১৯৪৯ সালে তাদের এই কোম্পানিতে দুজন ডিসট্রিবিউশন যুক্ত হন, তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন, জে ভেন এন্ডেল এবং দ্বিতীয় জন রিচ ডিভস । পরের ১০ বছর তারা খুব দক্ষতার সাথে কাজ করেন। এরপর তারা তাদের ব্যাবসা পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নেন। তারপর এই দুজন মিলে ১৯৬০ সালে নতুন আরেকটি কোম্পানি তৈরি করে যাকে আপনারা এমওয়ে নামে চিনেন। এই কোম্পানিটির আসল নাম হলো দি এমেরিকান ওয়ে ।

১৯৫৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংসদীয় বিলের মাধ্যমে মাত্র ১০ ভোট বেশি পেয়ে এই ব্যবসা আইনগত স্বীকৃতি পেলে এর বিকাশ সারা বিশ্বে আরও দ্রুততর হয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই পদ্ধতিতে ব্যপকহারে ব্যবসা পরিচালন্ শুরু হয় ।

 

আরও পড়ুনঃ জীবন পরিবর্তনকারী সেরা ৫ টি অনুপ্রেরনা মূলক গল্প

 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং(এমএলএম):

১৯৯৮ সালে শ্রীলঙ্কার বংশোদ্ভূত জনাব নারায়ণ দাস নামের এক ব্যক্তি কানাডার মাধ্যম হয়ে দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশে এসে এমএলএম ব্যবসার আবির্ভাব ঘটান। তিনি বাংলাদেশে এসে জিজিএন বা গ্লোবাল গার্ডিয়ান নেটওয়ার্ক কোম্পানির মাধ্যমে এমএলএম চর্চা শুরু করেন। পরবর্তীতে কোম্পানিটি ভেঙ্গে নিউওয়ে প্রাইভেট বাংলাদেশ লি: এবং ডেসটিনি-২০০০ লি: নামের আরো দুইটি কোম্পানির জন্ম হয়। এরপরেই বাংলাদেশে এই পদ্ধতির ব্যপক কার্যক্রম শুরু হয়। ডেসটিনি-২০০০ লি: নামের কম্পানিটি প্রথমের দিকে বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে দিয়ে পার হলেও পরের দিকে খুব ভালভাবেই চলছিল ২০১২ সাল পর্যন্ত। কম্পানিটির কর্নধার জনাব মোহাম্মদ হোসাইন এবং রফিকুল আমিনের নেতৃত্বে সারা বাংলাদেশে কম্পানিটির ৪৫ লক্ষ ক্রেতাপরিশেক তৈরি হলেও বিভিন্ন অনিয়ম ও অর্থ কেলেংকারির দায়ে দুইজনইকেই কারা বরন করতে হয়েছে । এরপর বাংলাদেশে শুরু হয় এটাকে নিয়ে বিতর্ক।

 

অবশেষে ২০১৩ সালে এমএলএম আইন পাস হয় এবং আইন তৈরি হয় যা ২০১৩ সালের ৪৪ নং আইন। মহান জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ১৯ আগস্ট, ২০১৩ সোমবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কার্যক্রম (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আইন প্রনয়নের জন্য বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে ।

 

২০১৪ সালের মার্চ মাসের দিকে কিছু কোম্পানিকে সরকার লাইসেন্স দিলেও ২০১৫ সালের শেষের দিকে এসে সব এমএলএম কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল করে দেয়া হয়।এরপর থেকে কিছু কোম্পানি কোর্টের মাধ্যমে স্টে অর্ডার নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছিল। কিন্তু বর্তমানে সরকার এটিও বন্ধ করে রেখেছে এবং নতুন করে কোন কোম্পানিকে কোর্টের মাধ্যমে স্টে অর্ডার নিয়ে ব্যবসা পরিচালনারও অনুমতি দিচ্ছে না । ফলে, প্রতিনিয়ত নেতিবাচকদের বিরুদ্ধে মোকাবেলা করে যেতে হচ্ছে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কর্মী ও মালিকগণদের।

 

বর্তমানে বাংলাদেশে পাচঁ শতাধিকেরও বেশী কম্পানি বিভিন্ন প্রতিকুল পরিবেশের মধ্যেদিয়ে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং(এমএলএম) ব্যাবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে । এর মধ্যে কিছু কিছু কম্পানি আবার ই-কর্মাস বা অন্যন্য নামে তাদের নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং(এমএলএম) ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছে ।

 

সর্বোপরি, সরকারের সঠিক গাইডলাইন পেলে বাংদেশের অর্থনিতিতে ব্যাপক অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং(এমএলএম) কোম্পানিগুলোর । সাথে দেশের বেকার সমস্যা দূরিকরনের ক্ষেত্রেও দারুন ভূমিকা রাখতে পারে ।

 

 

Read More

লেখাটি একটু মন দিয়ে পড়ো, আশা করি উপকৃত হবেঃ

১৮ থেকে ২৪ বছর, জীবনের চরম বাস্তবতা মুখোমুখি হবে তুমি । তোমার বয়স যখন ১৮ থেকে ২৪ এর মধ্যে থাকবে, তখন তুমি অনেক প্রিয় বন্ধুদেরকে হারিয়ে ফেলবে।
তুমি অনেক ভুল চিন্তা করবে, ভূল সিদ্ধান্ত নিবে। তুমি অনেক সময় বিভিন্ন বিষয়ে ব্যর্থ হবে। তুমি নতুন করে অনেক কিছু উপলব্ধি করতে পারবে। তখন তুমি কিছুটা বাস্তবতা বুঝতে শুরু করবে।

মাঝে মধ্যে নিজেই নিজেকে চিনতে অনেক কষ্ট হবে । তুমি অনেক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে সময় পার করবে, হতাশা, একাকিত্ব, বিষন্নতা, প্রিয়জনদের দেয়া কষ্ট তোমাকে ছাড়তেই চাইবে না।

যাদেরকে তুমি এই দুনিয়ার সবচেয়ে বেশী ভালবাসতে তারাই এক সময় তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে, যাদেরকে তুমি উপরে উঠার সিড়ি দেখিয়েছিলে তারাই তোমাকে উপর থেকে ধাক্কা দিয়ে নীচে ফেলে দিবে । তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে, মুনাফেকি আচরন করবে। তারপর, তোমার খুব কষ্ট হবে, খারাপ লাগবে তুমি অনেক বেশী আপসেট হয়ে যাবে । এমন কিছু করার কথা তোমার মাথায় আসবে, যা তুমি কখনোই চিন্তা করোনি। এমনকি সুইসাইড করার মত ফালতু আর নিকৃষ্ট চিন্তা তোমার মাথায় আসতে পারে। তোমার কাছে মনে হতে পারে এই জীবন রেখে কি লাভ?

বয় ফ্রেন্ড অথবা র্গাল ফ্রেন্ড তোমাকে ছেড়ে চলে যেতে পারে। দিনের পর দিন তুমি ডিপ্রেশনের মধ্যে দিয়ে কাটাবে। তখন পৃথিবীর কোন মোটিভেশন তোমাকে এই কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পারবে না। তুমি না চাইলেও তোমার ভালোবাসার মানুষটির সাথে কাটানো সময় তোমার প্রতিটা মুহূর্ত মনে পরবে। আর তুমি কষ্ট পেতে থাকবে দিনের পর দিন।

কিন্তু, বেশি দিন না… ছয় মাস বা একবছর, দুই বছর পর তুমি আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে। আবার তুমি স্বভাবিক জীবনে ফিরে আসবে, যে মানুষগুলো তোমাকে এত যন্ত্রনা দিল, ওই মানুষগুলো আবার তোমার সাথে নাটক শুরু করবে। তখন তুমি ওদেরকে রিজেক্ট করবে এবং পিছনে ফিরে হাঁসবে ওদেরকে দেখে, কারন এতদিনে তুমি বুঝতে পেরে গেছো।

তোমাকে হতাশ হলে চলবে না। সব কিছুর পর তুমি নিজেকে নতুন করে আবিস্কার করবে। তারপর তুমি আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তুমি তোমার মত করে সফলতা ছিনিয়ে নিয়ে আসবে । মনে রাখবে, সফলতাই হচ্ছে সর্বোত্তম প্রতিশোধ ।

জীবনটা তোমারই, তাই করো দেয়া দুঃখ/কষ্ট পেয়ে জীবনের গুরুত্বপূর্ন সময় নষ্ট করো না । বরং আরো জেদি হয়ে উঠো সফলতার জন্য । জীবন তোমাকে একটু কষ্ট দিবে। কারণ, নাহলে তুমি পৃথিবীর আসল রূপ চিনতে পারবে না।

এটাই জীবন, এটাই বাস্তবতা…..আমাদের সবাইকে এটা মানতেই হবে ।

Read More

contact