খেজুরের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য

অনেক সময় পুষ্টি ও গুনাগুণ সম্পর্কে না জেনে আমরা শুধু আমাদের প্রয়োজন মেটাচ্ছি। আর অসুস্থ হলেই ডাক্তারের কাছে ছুটাছুটি করতে হয় তখন। অথচ প্রকৃতিতে প্রাপ্ত প্রতিটি খাবারের মধ্যে রয়েছে অসংখ্য পুষ্টিগুণ। আমরা যদি এই পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। তাহলে এসব খাবারের মধ্যেই আছে সুস্থ থাকার অসংখ্য  টিপস্।

এখন বৈশাখ মাস আর কিছু দিন পরেই আম, জাম, কাঁঠাল, লিচুসহ অসংখ্য মৌসুমি ফল বাজারে পাওয়া যাবে। অন্যদিকে রমজান মাস উপলক্ষে আমদানিকৃত বেশ কিছু ফল দেশে পাওয়া যাবে। চলুন জেনে নিই খেজুরের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য। 

খেজুরের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতাঃ

  • সুস্বাদু আর বেশ পরিচিত একটি ফল, যা ফ্রুকটোজ ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ।
  • প্রতি ১০০গ্রাম খেজুরে শর্করা, চিনি, ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন সহ ২৮২ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।
  • খেজুর পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন দূর করতে সাহায্য করে ।
  • খেজুরে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
  • প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
  • কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় রাতে পানিতে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। পর দিন সকালে খেজুর ভেজানো পানি পান করুন। দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য।
  • একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করতে পারে খেজুর।
  • খেজুরের শরীরের শক্তি বর্ধক হিসেবে কাজ করে। এর শতকরা ৮০ ভাগই চিনি। তাই শুকনো খেজুর বা খোরমাকে বলা হয় মরুভূমির গ্লুকোজ।
  • খেজুরে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান সেরোটোনিন নামক হরমোন উৎপাদন করতে সহায়তা করে যা মানুষকে মানসিক প্রফুল্লতা দেয়। যা মন ভাল রাখতে সহায়তা করে।

খেজুরের কিছু ক্ষতিকর দিক-

যাদের মাইগ্রেন বা প্রচণ্ড মাথা ব্যথার সমস্যা রয়েছে, তাদের খেজুর না খাওয়াই ভালো৷ কারণ ছোট মিষ্টি খেজুরে ‘টিরামিন’ বলে যে পদার্থটি রয়েছে, তা মাথা ব্যথা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে৷

যারা ডিপ্রেশনে ভুগছেন, তাদের জন্যও খেজুর খাওয়া ঠিক নয়৷ এক্ষেত্রে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে৷

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top